দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে কাজ করা মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুকির কারন।

দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে কাজ করা মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুকির কারন।

বসে থাকা আমাদের প্রতিদিনের একটা সাধারন অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। বেশিরভাগ সময় অফিস ডেস্ক কিংবা গাড়ির সিট অথবা বাসায়, দিনের একটি লম্বা সময়ই আমাদের বসে থেকে কাটাতে হয়। হতে পারে সেটা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত, মুলত বসে থেকে কাজ করার প্রবনতা আধুনিক সমাজ ব্যবস্থার শুরু থেকেই প্রচলিত। তবে যাইহোক, সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গেছে দীর্ঘ সময় বসে থেকে কাজ করার ফলে স্বাস্থ্য ঝুকির আশংকা এতটাই প্রবল যা আমাদেরকে উদ্বিগ্ন করে। যার ফলে আমরা কিছু তথ্য উপাত্ত অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেছি এবং আপনাদের কাছে তুলে ধরছি।

বর্তমান সময়ে মানুষ আগের থেকে অনেক বেশি সময় ধরে বসে থাকে।

বসে থাকা ক্ষতিরকর এই কথাটা হঠাৎ করে শুনলে কিছুটা হাস্যকর লাগতে পারে। বসে থাকার আবার বিকল্প কি হবে পারে? দাড়িয়ে থেকে তো আর সকল কাজ সম্পাদন করা সম্ভব না!

আমাদের মানবদেহের একটি স্বাভাবিক অঙ্গবিন্যাস হল বসে থাকা, অফিসে কাজের সময়, কারও সঙ্গে মিটিং করা, বাসায় বসে বই পড়া, মুভি দেখা, এমনকি যানবাহনে চলাচলের ক্ষেত্রেও স্বাভাবিক অঙ্গবিন্যাস হল বসে থাকা।

কিন্তু, তার মানে এই নয় যে বসে থাকায় কোনো স্বাস্থ্য ঝুকি নেই। দুর্ভাগ্যবসত, দীর্ঘ সময় বসে থেকে কাজ করা আমাদের প্রতিদিনের একটা স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিনত হয়েছে।

আমরা যদি একটু তুলনামূলক হিসাব করি তাহলে দেখা যাবে, একজন সাধারন অফিস কর্মী দিনে ৮-১০ ঘন্টার মতো অফিসে বসে কাজ করে থাকে। অন্যদিকে একজন কৃষক দিনে মাত্র ৩/৪ ঘন্টারও কম সময় বসে থাকে। তাহলে একবার ভেবে দেখুন শারিরীকভাবে কে সবচেয়ে বেশি ফিট থাকে!

যত বেশি বসে থাকা, তত বেশি ওজন বৃদ্ধি

যখন শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রনের ব্যাপারটি সামনে আসে, তখন কিছুটা খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা কিছু সময়ের ব্যায়ামের ফলেও আশানুরুপ ক্যালোরি ক্ষয় সম্ভব হয়ে ওঠে না। কারন, এরপরেই শুরু হয় বসে থেকে অফিসের কাজ করা।

এজন্যই বসে থাকা এবং মেদ বৃদ্ধি একে অপরের পরিপুরক।

বসে থাকা, অকাল মৃত্যুর কারন

হেলথলাইন নিউজলেটারের তথ্য মতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের উপর পর্যবেক্ষন করে দেখা গেছে, যারা দীর্ঘসময় বসে থাকে তাদের অকাল মৃত্যুর ঝুকি ২২ থেকে ৪৯%।

দীর্ঘ সময় বসে থাকা ক্যান্সারের কারন

আজকাল মনে হয় সবকিছুই ক্যান্সারের কারন, ধুমপান, মোবাইলফোন, অনিয়মিত ঔষধ সেবন।

কিন্তু বসে থাকা? হ্যা, American Institute of Cancer Research এর সাম্প্রতিক তথ্যমতে, অতিরিক্ত সময় বসে থাকা খুব বড় আকারে ক্যান্সারের ঝুকি বড়ায়।

এছাড়া, লম্বা সময় ধরে বসে থাকার ফলে আরও অনেক ধরনের স্বাস্থ্য ঝুকি রয়েছে। যেমন: দুরারোগ্য কোমর ব্যাথা, বুক ব্যাথা, ডায়বেটিকস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, কর্মক্ষমতা হ্রাস, মাত্রাতিরিক্ত মেদ বৃদ্ধি ইত্যাদি।

বসে থেকে কাজ করার ফলে স্বাস্থ্য ঝুকি প্রতিরোধের উপায়

প্রশ্ন হল কিভাবে এই সকল স্বাস্থ্য ঝুকিগুলো এড়িয়ে চলা যায়? বিষেশজ্ঞদের মতে, কাজের মধ্যে প্রতি ৩০ মিনিট পরপর বিরতি নিতে হবে, একটু হাটাচলা করা এরপরে আবার কাজে বসে যাওয়া।

আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশন এই বিষয়ে যেটা বলে অনুপ্রানিত করে থাকে – “বসে থাকার তুলনায় মুভ করুন বেশি।” কিন্তু এটা কোন পরিপুর্ন গাইডলাইন নয় বলেছেন, কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির মেডিসিন ডিপার্টমেন্ট। তারা মনে করেন এই বিষয় থেকে পরিত্রানের উপায় খুজতে আরও অনেক গবেষনার দরকার। সুত্র – সিএনএন।

আমেরিকার একটি ক্লিনিকাল প্র্যাকটিস অর্গানাইজেশন MayoClinic এই বিষয়ে একটি সহজ সমাধান দিয়েছেন। তাদের মতে, যারা লম্বা সময় ধরে ডেস্ক জব করেন তারা একটি স্ট্যান্ডিং ডেস্ক ব্যাবহার করতে পারেন। অর্থাৎ দাড়িয়ে থেকে কাজ করা যায় এমন একটি টেবিল, যেখানে যার যার উচ্চতা অনুযায়ী টেবিলের পার্টগুলো এডজাস্ট করে নেয়া যাবে।

কিন্তু এই ধরনের স্ট্যান্ডিং ডেস্ক আমাদের দেশে কোথায় পাওয়া যাবে? আসলে বাংলাদেশে এই প্রোডাক্ট নিয়ে আগে কেউ কখনও ভাবেনি।

সম্প্রতি বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসম্মত ডেস্ক সিস্টেম নিয়ে কাজ করছে ইন্টেরিয়র ডিজাইন এন্ড ডেকোরেশন কোম্পানী – ইন্টেরিয়র স্কেচ। তাদের নতুন ব্র্যান্ড ইজিডেস্ক নামে এই পন্যটি তারা তৈরি করেছে।

ডিজাইন এবং বিল্ড বনাম ট্রেডিশনাল কনস্ট্রাকশন

ডিজাইন এবং বিল্ড বনাম ট্রেডিশনাল কনস্ট্রাকশন

অফিস স্থানান্তর অথবা পুনঃর্বিন্যাস, যেটাই করেন না কেন সামগ্রিক পরিকল্পনা, স্পেসের নকশা এবং কনস্ট্রাশনের লোক আপনার দরকার হবে। পুনঃর্বিন্যাসের সঠিক পদ্ধতি নির্বাচন আপনার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী চুড়ান্ত ফলাফলের উপর প্রভাব ফেলে। অফিস শুরু, স্থানান্তর বা পুনঃর্বিন্যাস করার আগে ডিজাইন এবং বিল্ড বনাম ট্রেডিশনাল কনস্ট্রাকশন এর মধ্যে পার্থক্যগুলো ভালভাবে জেনে নেয়া উচিৎ।

 

ট্রেডিশনাল কনস্ট্রাকশন পদ্ধতি কি?

ট্রেডিশনাল কনস্ট্রাকশন পদ্ধতিটি প্রোজেক্টের নকশা, বিড এবং বিল্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রক্রিয়ায়, প্রকল্পের মালিক একজন আর্কিটেক্ট, ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানী অথবা নির্মান ঠিকাদারের থেকে আলাদা আলাদা ভাবে প্রোজেক্টের বিড সংগ্রহ করে থাকে। প্রথমেই, প্রকল্প মালিক একটি ডিজাইন প্রতিষ্ঠান তেকে কমপ্লিট ডিজাইন ডকুমেন্টস সংগ্রহ করে থাকে। এরপরে, তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে দরপত্র আহ্বান করে তাদের মধ্যে যে সর্বনিম্ন বাজেট দেয় তাদেরকে কাজটি দিয়ে থাকে।

 

ডিজাইন এবং বিল্ড পদ্ধতি কি?

এই আধুনিক পদ্ধতিতে, প্রকল্প মালিক একটি সিঙ্গেল কোম্পানীকে একক চুক্তির অধীনে ডিজাইন এবং বিল্ড উভয় কাজ সম্পাদন করে থাকে।

 

আপনার প্রজেক্টের এর জন্য সঠিক পদ্ধতি নির্বাচন?

ডিজাইন এবং বিল্ড পদ্ধতিটি কাজের মান, ফিনিশিং এবং সঠিক সময়ে ডেলিভারির নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকে। ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগীতার বাজারে আমরা মতামত দিতে পারি যে, এখনকার ট্রেন্ডে বেশিরভাগ কোম্পানী ডিজাইন এবং বিল্ড পদ্ধতিতে তাদের প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করছে।

 

তবে এখানে উল্লেখযোগ্য যে, অপেক্ষাকৃত কমপ্লেক্স প্রযেক্ট, যেখানে বিভিন্ন পার্টের আলাদা আলাদা কোম্পানীর কাজের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে ট্রেডিশনাল পদ্ধতি ভাল। যদিও, ডিজাইন এবং বিল্ড পদ্ধতির অগ্রযাত্রায় এখন একটি প্রোজেক্টে এর সব ধরনের সেবা দেয়া সম্ভব, ইন্টেরিয়র স্কেচ এ অামরা কাজ করে যাচ্ছি যা ৩৫০০ থেকে ৪৫০০ স্কয়ার ফিট সাইজও অতিক্রম করছে।

 

যখন আপনি সিদ্ধান্ত নিতে যাবেন, কোন পদ্ধতিটি অবলম্বন করা উচিৎ তখন ডিজাইন এবং বিল্ড এবং ট্রেডিশনাল পদ্ধতির মধ্যে পার্থ্যক্য ও মিলগুলো বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন।

 

ট্রেডিশনাল

ডিজাইন এবং বিল্ড

খরচ নির্মান খরচ প্রথমিকভাবে অজানা – পরে ধাপে ধাপে খরচের ধারনা পাওয়া যায়। নির্মান খরচ প্রাথমিকভাবে রিলিজ করা হয় – এরপর ডিজাইন অনুযায়ী তা বাড়ানো কমানো সম্ভব।
নিয়ন্ত্রন প্রকল্প মালিক, নকশা এবং নির্মানের উপর নিয়ন্ত্রন রাখে। প্রকল্প মালিকের কোন প্রকার রিসোর্স এবং দক্ষতার প্রয়োজন হয় না।
সময় নকশা এবং নির্মান একটি সিকুয়েন্স অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে হয়, সাধারনত দীর্ঘ সময় ব্যায় হয়। ডিজাইন এবং নির্মান সময়সুচি ওভারল্যাপ করতে পারে।
ঝুঁকি ঠিকাদারের কর্মক্ষমতার ঝুঁকি প্রকল্প মালিক বহন করে। একটি চুক্তির মাধ্যমে, কাজের দক্ষতার দায়ভার একটি নির্দিষ্ট টিম বহন করে।
ডিজাইন সমমানের ক্যাপাবিলিটি সমমানের ক্যাপাবিলিটি
যোগাযোগ প্রতিটি কোম্পানীর জন্য আলাদা ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। একটি সিঙ্গেল ইমেইল/ফোন কলে পুরো টিমের সাথে যোগাযোগ রক্ষা।
কোয়ালিটি সমমানের ক্যাপাবিলিটি সমমানের ক্যাপাবিলিটি
ভ্যালু ঠিকাদার কাজ শেষ করার পরে প্রকৌশলী মুল্যায়ন পেয়ে থাকেন। প্রকল্পের শুরুতে মূল্যায়ন পাওয়া যায়।

 

ডিজাইন এবং বিল্ড বনাম ট্রেডিশনাল কনস্ট্রাকশন

নির্মান প্রোজেক্টের জন্য দুটো পদ্ধতিই দরকার হয়, আর এটি নির্ভর করে ব্যাবসার ধরন এবং প্রোজেক্টের রিকয়ারমেন্ট অনুযায়ী। প্রোজেক্টের মালিক যার যথেষ্ট পরিমানে বাজেট এবং সার্বক্ষনিক ম্যানেজ করার সময় থাকবে তার জন্য ট্রেডিশনাল পদ্ধতি ভাল।

 

যদিও, ডিজাইন এবং বিল্ড পদ্ধতিটি আমাদের দেশে ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারন, সবাই এখন ওয়ার্কপ্লেস ট্রেন্ডে ঢুকে পড়েছে এবং বেশিরভাগই চাচ্ছেন পুরো প্রোজেক্টটি একটি কোম্পানীর সাথে চুক্তির মাধ্যমে হোক।

 

  • প্রথমেই প্রোজেক্ট বাজেটের নিশ্চয়তা।
  • একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে দ্বায়িত্ব প্রদান।
  • একক প্রকৌশলীদের মূল্যায়নের সুযোগ।
  • দ্রুত ডেলিভারি।

 

সংক্ষেপে, ডিজাইন এবং বিল্ড পদ্ধতিটি প্রকল্পের মানদন্ড বিচারে এগিয়ে থাকবে। বর্তমান বাজার চাহিদা, ভাল সার্ভিস এবং কোম্পানীর জবাবদিহীতার বিবেচনায় ডিজাইন এবং বিল্ড পদ্ধতিই সেরা।

তথ্যসুত্র: Oktra

একটি অফিস ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন এর খরচ কেমন?

একটি অফিস ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন এর খরচ কেমন?

নতুন অফিস নিয়েছেন? ভাবছেন সুন্দর করে ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন টা করবেন? কিন্তু একটা অফিসের ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন করতে গেলে কেমন খরচ পড়বে তা সঠিকভাবে নির্ধারন করতে পারছেন না, হয়ত আপনার অন্যান্য কাজের চাপে এদিকে সময় দিতে পারছেন না।

আসলে একটি অফিসের ইন্টেরিয়র ডেকোরশেন এর খরচ অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে করে, যা এই সিম্পল প্রশ্নটিকে অনেক সময় কঠিন করে দেয়। যদিও অফিস ইন্টেরিয়রের খরচের ব্যাপারে কোন নির্দিষ্ট উত্তর নেই তবে কিছু বিষয় বিবেচনা করে খরচের একটা ধারনা নির্ধারন করা যেতে পারে। এইসব কিছুই নির্ভর করবে অফিসের সাইজ, লোকেশন এবং চাহিদা অনুযায়ী।

যাইহোক এটি একটি মৌলিক প্রশ্ন যা আপনার বিবেচনায় আসবে, সেক্ষেত্রে প্রথমে আপনি কত খরচ করতে চাচ্ছেন বা আপনার বাজেট কেমন রাখবেন সেটা নির্ধারন করে ফেলুন। এরপরে আরও কিছু প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করুন, যেমন:

সৌন্দর্য বর্ধন নাকি স্ট্রাকচারাল চেঞ্জ?

আপনি যখন নতুন অফিস সেটাপের কথা চিন্তা করছেন তখন আগেই সিদ্ধান্ত নিন, যে আপনি কি চান সৌন্দর্য বর্ধন (যেমন: নতুন ফ্লোর, সিলিং, ওয়াল পেইন্ট/স্টিকার) নাকি স্ট্রাকচারাল চেঞ্জ (যেমন: নতুন ওয়াল, নতুন দরজা সেটাপ)। আর এটা যদি পরে বিবেচনা করতে যান, তাহলে আপনার প্রযেক্ট টি শেষ করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং সেটাপের খরচ দিগুন হারে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

কত সময় নিতে পারবেন?

আপনার প্রযেক্ট টাইমলাইন কত? এটি একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় কারন টাইমলাইন আপনার খরচের আকৃতি নিয়ন্ত্রন করে। সাধারনত কম টাইমলাইনের কাজে বেশি সময় (ঘন্টা) এবং ছুটির দিনেও কাজ চালিয়ে যাওয়া দরকার হয়। একটি আদর্শ ২,৪০০ স্কয়ার ফিট অফিস ডেকরেশনের টাইমলাইন ৪ থেকে ৫ সপ্তাহ নির্ধারন করা হয়। এর চেয়ে কম টাইমলাইন হলে খরচের খাতও বেড়ে যায়।

কত স্কয়ার ফিট সাইজের অফিস আপনার প্রয়োজন?

এই প্রশ্নের উত্তর সাধারনত খুব সহজেই আমরা বলতে পারি – “আমার এখন যা স্পেস সাইজ আছে তাই ই দরকার” এবং এটি অনেক সময় একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত হিসেবেও বিবেচিত হয়। কিন্তু কখনও কখনও এটি প্রশ্নটি অনেক জটিল হয়ে পড়ে, কারন এটি নির্ভর করে আপনার আকাঙ্খার উপর, বর্তমান স্পেস সাইজ এবং অবশ্যই আপনার ব্যাবসার সাইজ এর উপর।

আপনার ব্যবসার সাইজ কেমন আছে, আগামি এক বছর পরে কেমন হবে, কোন কোন ডিপার্টমেন্টে নতুন লোক নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তারা কে কোথায় বসবে এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকে খুঁজতে হবে। তবেই আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন আপনার কত স্কায়ার ফিট সাইজের অফিস প্রয়োজন। 

ট্রেডিশনাল নাকি ডিজাইন এবং ডেকোরেশন?

আপনার অফিস যদি ট্রেডিশনাল পদ্ধতিতে সংস্কার করতে চান তাহলে এখানে কয়েক ধাপে লোক দরকার হবে, যেমন: ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, ওয়ার্কস্পেস প্ল্যানার এবং ফর্নিচার সাপ্লাইয়ার। আপনি যদি শুধুমাত্র স্ট্রাকচারাল চেঞ্জ করতে চান সেক্ষেত্রে দরকার হবে, সার্ভেয়র (যিনি পরিমাপ করেন), স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্ট। এরপরে দরকার হবে একজন প্রযেক্ট ম্যানেজার যিনি সকল পার্টিদের সমন্নয় সাধনের মাধ্যমে পুরো কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হওয়া নিশ্চিৎ করবেন।

আপনি যদি ডিজাইন এবং ডেকোরেশন, এই পদ্ধতিতে যান তাহলে প্রথমেই আপনার স্পেস এর কাজের স্কোপগুলো নির্ধারন করতে হবে। এখানে অবশ্যই কোয়ালিটির ব্যাপারে সচেতনতা জরুরি এবং এতে আপনার খরচ ট্রেডিশনাল পদ্ধতির তুলনায় বেশি হবে। ডিজাইন এবং ডেকোরেশন প্যাকেজ এর মধ্যে থাকে: থ্রিডি এবং টুডি ডিজাইন, বিস্তর বিবরনী, কন্সাল্টেন্সি, প্রযেক্ট ম্যানেজমেন্ট এবং কন্সট্রাকশন সার্ভিস এই সবই এক ছাদের নিচে।

এই পদ্ধতিটি আমাদের দেশে ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বেশিরভাগ কোম্পানী এখন ট্রেডিশনাল পদ্ধতি থেকে বের হয়ে আসছে, কারন ডিজাইন এবং ডেকোরেশন পদ্ধতিতে খরচ কিছুটা বেশি হলেও কোম্পানীর ব্র্যান্ড ভ্যালু, কর্মীদের চাহিদা পুরন, কর্মক্ষেত্রে সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, কাজে আনন্দ, ইত্যাদি গুরুত্বপুর্ন বিষয়গুলো যোগ হয়েছে। যা কোম্পানীর ভবিষ্যৎ মুনাফা বৃদ্ধির ব্যাপারটা নিশ্চিৎ করে।

ফার্নিচার রিকয়ারমেন্ট কেমন?

যদি আপনি একটি মিটিং রুম সেটাপ দিতে চান বা একটি সমগ্র সেলস ফ্লোর সেটাপ দিতে চান, আপনাকে সঠিক ফার্নিচার নির্বচন করতে হবে। এটি কর্মীদের  নিরাপদ কাজের পরিবেশ নিশ্চিৎ করে। সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গেছে অফিস কর্মীদের ব্যাবহারের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফার্নিচার দরকার হয়, যেমন: সিটিং/স্ট্যান্ডিং ডেস্কিং, স্টোরেজ সিস্টেম, ল্যাপটপ স্ট্যান্ড এবং অন্ন্যান্য। ভাল মানের ফার্নিচার সাপ্লাইয়ার বা আপনার চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন ফার্নিচার এবং কাস্টম ফার্নিচার এর ব্যাপারে ইন্টেরিয়র ডিজাইনার এর পরামর্শ নেয়া ভাল। তিনি আপনাকে ধারনা দিনে পারবেন কি পরিমান ফার্নিচার প্রয়োজন এবং কেমন খরচ হবে।

টেকনোলজী সিস্টেম কি হবে?

এখনকার ট্রেন্ডে তাল মিলিয়ে চলতে এবং অভ্যন্তরীন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন টেকনোলজীর কোন বিকল্প নেই। আপনাকে আগেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে কি কি ধরনের টেকনোলজী ব্যাবহৃত হবে।

অফিস ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন খরচ ২০১৮?

এখনকার সময়ে একটি ২,৪০০ স্কয়ার ফিট অফিস ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনে স্ট্যান্ডার্ড খরচ পড়ে ৭ থেকে ৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে যে সকল সেটাপগুলো থাকবে:

০১. ডিজাইন (২ডি এবং থ্রিডি) এবং প্রযেক্ট সুপারভিশন

০২. ফ্লোরিং (কার্পেট)

০৩. লাইটিং এবং সিলিং

০৪. ওয়ার্কস্টেশন (১২ জন)

০৫. এক্সিকিউটিভ রুম (২টি)

০৬. রিসিপশন ফার্নিচার

০৭. ওয়াল পেইন্ট

০৮. ব্র্যান্ডিং (এলইডি সাইন)

সর্বোপরী, এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রযেক্ট এর খরচের ধারনা মাত্র। প্রিতিটি রুম বাই রুম সাইজ এবং চাহিদা অনুযায়ী এই টাকার অংক উঠানামা করে।

তথ্যসুত্র: Oktra

কেন নতুন করে আপনার অফিস ডিজাইন করবেন

কেন নতুন করে আপনার অফিস ডিজাইন করবেন

আপনি যখন নতুন বিজনেস প্ল্যান নিয়ে ভাবছেন, তখন অফিস ডিজাইনের ব্যাপারটি হয়তো প্রথমেই আপনার মাথায় আসবে না। যদিও, কর্মীদের সৃজনশীলতা এবং কাজের উদ্দীপনা তৈরিতে অফিস ডিজাইন একটি গুরুত্বপুর্ন পার্ট।

এখানে আমরা ৮ টি কারন উল্লেখ করেছি, কেন আপনি আপনার অফিস নতুন করে ডিজাইনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করবেন:

০১. অফিস ডিজাইন ট্রেন্ডের সাথে আপ টু ডেট থাকা:

এখনকার সময়ের ব্যাবসায়িক পরিবেশে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ধারনা হল অফিস ইন্টেরিয়র ডিজাইন। আজকাল বেশিরভাগ উদ্দোক্তারাই তাদের অফিস স্পেস পছন্দ কারার সময় ইন্টেরিয়র এর ব্যাপারটি বিবেচনায় রাখেন। সেই সাথে ডিজাইনের ব্যাপারেও এসেছে নতুন ধারনা। ব্যাবসায়িক কালচারে এটি একটি বিবর্তন বলা যেতে পারে।

০২. বর্তমান স্টাফদের পাশাপাশি নতুন ট্যালেন্টদেরকে আকৃষ্ট করা:

নতুন জেনারেশন কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে। অন্য জেনারেশনের তুলনায় এই জেনারেশন বেড়ে উঠছে টেকনোলোজির এডভান্স ব্যাবহারের মধ্য দিয়ে। কোম্পানিগুলো এদের মধ্য থেকে সেরা ট্যালেন্টেগুলোকে বের করে নিচ্ছে তাদের থেকে সেরা সার্ভিস পাওয়ার জন্য। অার এই জেনারেশনকে আকৃষ্ট করে দৃষ্টিনন্দন ইন্টেরিয়র ডিজাইন, কারন তারা সিলিকন ভ্যালির অফিস ডিজাইন এবং কালচারের ব্যাপারে যথেষ্ট অবগত।

০৩. স্টাফদের মনোবল বৃদ্ধিতে উৎসাহ প্রদান:

ভাল অফিস সেটাপ এর একটি ভাল গুন হল এখানে স্টাফদের মনোবল বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত ব্যাবস্থা থাকে। অফিসের মধ্যে একটি ডেডিকেটেট ব্রেকআউট এর জায়গা অথবা একটি টেবিল টেনিস খেলার ব্যাবস্থা থাকলে সেটা ব্যাপক প্রভাব ফেলে। কাজের মধ্যে একটু ব্রেক নেয়ার ব্যাপারে এটি স্টাফদেরকে উৎসাহিত করবে যার ফলে তাদের সৃজনশীলতা রিচার্জ হবে।

০৪. অফিস কালচার তৈরি করা:

নতুন অফিস ডিজাইনের ক্ষেত্রে অফিস কালচার সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ব্যাপার। আপনার কোম্পানীর লক্ষ্যগুলি পুরনের চেষ্টা যারা করছেন আর্থাৎ কোম্পানীর স্টাফগন, তাদের প্রত্যেকের আলাদা ভ্যালু রয়েছে। অনেকগুলি গ্রুপ স্পেস দিয়ে একটি সহযোগী ও নমনীয় ডিজাইন তৈরি করা বর্তমান অফিস কালচারকে সমর্থন করে এবং কর্মীদেরকে উৎসাহিত করে।

০৫. কর্মীদের প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধিতে সহায়তা করা:

দীর্ঘদিন যাবৎ একই অফিসের মধ্যে কাজ করা অনেক সময় কর্মীদের প্রোডাক্টিভিটিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একটি নতুন অফিস ডিজাইন যেমন তাদের প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধিতে সহায়ক, তেমন তারা একটি ইতিবাচক পরিবেশে সুখী হয়।

০৬. পারস্পরিক সহযোগীতা এবং অভ্যন্তরীন যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়ন:

একটি সু-পরিকল্পিত অফিস ডিজাইন কর্মীদেরকে পারস্পরিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করে দেয়। এছাড়া কর্মীদরে মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন এবং কোম্পানীর মধ্যে একটি শক্তিশালি নেটওয়ার্ক গঠনে ভুমিকা পালন করে।

০৭. কোম্পানীর ব্র্যান্ড ভ্যালু উন্নয়ন:

একটি দৃষ্টিনন্দন অফিস ইন্টেরিয়র ডিজাইন নতুন ক্লায়েন্টদের কাছে অবিশ্বাস্য ইম্প্রেশন দেয় যা তার মেমোরিতে থেকে যাবে। অন্যদিকে, ক্লায়েন্ট যদি একটি পুরানো এবং ক্লান্ত অফিস ভিজিটে যায়, সেখানে সে যে কোন প্রকার ইনোভেটিভ বিষয় নিয়ে কথা বলার মুড হারিয়ে ফেলবে যা কোম্পানীটির ব্র্যান্ড ভ্যালুর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

০৮. নতুন টেকনোলজীতে আপগ্রেড হওয়া:

আপনার অফিস সেটাপ নতুন টেকনোলজীতে আপগ্রেড না হলে এটি দক্ষতা হারাবে। কর্মীদের যোগাযোগের উন্নয়ন এবং তাদের কর্মপ্রবাহ বৃদ্ধিতে অবশ্যই টেকনোলজী আপগ্রেড করতে হবে।

তথ্যসুত্র: Oktra

ছোট অফিস এর স্পেস বৃদ্ধির উপায়

ছোট অফিস এর স্পেস বৃদ্ধির উপায়

একটি ছোট অফিস, কাজের পরিবেশকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়। আপনার ছোট অফিস স্পেসটি যদি খন্ডে খন্ডে বিভক্ত থাকে, তাহলে এখনই সময় জায়গাটিকে সম্প্রসারিত করা। বিশেষভাবে, যদি আপনার ব্যাবসায়িক কৌশল হয়ে থাকে কোম্পানীর মান ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি পাবে।

যাহোক, যদি আপনার অফিস খুব শিঘ্রই পরিবর্তন করার ইচ্ছে না থাকে, এবং আপনি উপলব্ধি করতে পারছেন যে আপনি স্পেসের জন্য সংকুচিত হয়ে আছেন তবে কিছু সাধারণ পরিবর্তন আপনি করতে পারেন। আপনার আছে ছোট্ট একটি অফিস স্পেস, এখন জানা দরকার কিভাবে এটিকে সম্প্রসারন করা যায়।

একটি ছোট অফিস, এখানে সবচেয়ে কঠিন বিষয় হল একটি বিকল্প বিন্যাস পরিকল্পনা করা, বিশেষ করে সেখানে যদি আপনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান করে থাকেন। আসলে এখানে দরকার একটু বাহ্যিক দৃষ্টিকোন, একজন পেশাদারী অফিস ইন্টেরিয়র ডিজাইনার একটি নতুন পরিকল্পনা প্রস্তাব করতে পারেন। দক্ষ অফিস ইন্টেরিয়র ডিজাইনার তাদের ডিজাইন জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে তারা আপনার বর্তমান কর্মস্থল পর্যালোচনা করে কিভাবে আরও সম্প্রসারন করা যেতে পারে তা মূল্যায়ন করতে পারেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞের কাছে জিজ্ঞাসা করার আগে, এখানে কিছু প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে যা আপনাকে গাইড করবে, কিভাবে পরিকল্পনাটি শুরু করা যায়।

অফিস লে-আউট

আপনার অফিসের লেআউট হল সবচেয়ে মৌলিক বিবেচ্য বিষয় এবং আপনি হয়তো আগে এই দিকে খেয়াল করেছেন, কিন্তু আবার এবং আরো ভালভাবে বিবেচনা করুন। আপনার বর্তমান লে-আউটে কি ছোট কোন পরিবর্তন করা যায়? আপনি একটি সেলুলার পরিবেশে কাজ করছেন কিন্তু আপনার বেশিরভাগ কাজ কি সহকর্মীর সাথে একসঙ্গে কাজ করার উপর নির্ভর করে? আপনি কি চিন্তা করছেন আপনার অফিস স্পেস আরও খোলামেলা হওয়া উচিৎ? আপনার বর্তমান ফার্নিচারগুলো আপনার কাজের পরিবেশকে যথেষ্ট সাপোর্ট দিচ্ছে তো? আপনার অফিস ফার্নিচার এর প্রতিটি পার্ট কি আপনি ঠিকঠাক ব্যবহার করতে পারছেন? একটি ছোট অফিস লে-আউট এর ব্যাপারে পুনরায় বিবেচনা করার জন্য এগুলো হল প্রধান পার্ট।

কাজের পরিবেশ এবং প্রযুক্তি ও স্পেস এর ব্যবহার

আপনার বর্তমান কাজের পরিবেশের দিকে লক্ষ্য করুন এবং স্পেস কিভাবে ব্যবহার করবেন তা চিন্তা করুন। এটি আপনার স্পেসকে আরও কোনো বিকল্প বিন্যাস করতে হবে কিনা তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে। নিজেকে প্রশ্ন করুন: আপনার কি স্টোরেজ প্রয়োজন? আপনি কিভাবে অফিস সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করবেন? সকল স্টাফদেরই কি নিজের প্রিন্টার প্রয়োজন? ফটোকপি যন্ত্রের কি আসলেই দরকার আছে? প্রত্যেকেরই কি আলাদা বিন এর দরকার আছে নাকি সবাই একটি সেন্ট্রাল বিন ব্যবহার করলেও চলবে? কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপুর্ন কাজ করে থাকে? মিটিং রুমটা কি আসলেই ব্যবহৃত হচ্ছে বা এটার ব্যবহার কি আরও বাড়াতে চান? ডকুমেন্টগুলোর হার্ডকপি কি আর্কাইভ করে রেখেছেন? এই ডকুমেন্টগুলো কি প্রিন্ট করার প্রয়োজন ছিল? টিমের কোন কোন মেম্বারদের সামনা সামনি কাজ করতে হয়?

এখানে আরও কিছু প্রশ্ন আছে যা বিবেচনা করা যেতে পারে:

 

  • আপনার আসলে কি ধরনের অফিস ফার্নিচার প্রয়োজন।
  • কোথায় এবং কিভাবে অফিসের ফার্নিচার এবং সরঞ্জামাদি রাখা উচিৎ।
  • আপনার একটি বড় বিনিয়োগ কোন নতুন প্রযুক্তি ক্রয়ের জন্য বিবেচনা করছেন কিনা।
  • খুব শিঘ্রই আপনার অফিস লোকেশন চেঞ্জ করতে চাচ্ছেন কিনা।

 

দেয়াল, দরজা এবং সাথে একটি খোলামেলা অফিস স্পেস এর পরিকল্পনা

এটি একটি চিরন্তন সত্য ব্যাপার যে দেয়াল এবং দরজা অফিস স্পেস এর লেয়াউট প্ল্যান করতে সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি করে দেয়। তবে লেয়াউট পরিবর্তনের চিন্তা করার আগে- এটি আপনার ব্যাবসায়ের সাথে স্যুট করবে কিনা বা অভ্যন্তরীন যোগাযোগের উপর কি প্রভাব ফেলবে এবং দেয়ালগুলো বিল্ডিং এর কতটা ভার বহন করছে এই বিষয়গুলোর উপর গুরুত্ব দেয়া দরকার। আপনার অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র অনুযায়ী আপনি ইন্টেরিয়রে কতটুকু পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং পুনর্বিন্যাস করতে পারবেন? অফিসের বসের জন্য কি একটি বড় এবং প্রাইভেট রুম দরকার, নাকি এমনটা হলে অভ্যন্তরীন যোগাযোগে বাধার সৃষ্টি হয়?

যদি আপনি দেয়াল অপসারন করতে পারেন তাহলে কি কাজের পরিবেশে নতুন কোন সম্ভাবনা আবিষ্কৃত হবে? অফিসের মধ্যে প্রাইভেসির দরকার আছে, এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু আপনার কাজের প্র্যাকটিস গুলো বিবেচনা করে, এবং বিশ্লেষনের মাধ্যমে সঠিক ফার্নিচার, টেকনোলজি ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি নির্বাচন করার মাধ্যমে একটি প্রোডাক্টিভ ওপেন অফিস স্পেস আবিষ্কার করা সম্ভব।

অফিস ফার্নিচার

ছোট ডেস্ক বা ছোট কোন ফার্নিচার নতুন করে রি-এরেঞ্জ করা প্রোডাক্টিভ অফিস ডিজাইনের ক্ষেত্রে তেমন ভুমিকা রাখে না। ফার্নিচার কেবল মাত্র অপশনগুলো এনাবল করতে পারে। স্টোরেজ এর জন্য যদি আলাদা ড্রয়ার বা ক্যাবিনেট ব্যাবহার করে থাকেন তা শুধুমাত্র অফিসের জায়গাই দখল করবে না বরং সৌন্দর্যের ক্ষেত্রেও বাধার সৃষ্টি করবে। এর চেয়ে বরং সু-সজ্জিত স্টোরেজ দেয়াল ব্যাবহার করা ভাল। এবং দেয়ালটি হতে পারে ক্রিয়েটিভ কারুকার্য সংবলিত যা একদিকে দেয়ালের কাজও করবে অন্যদিকে একটা বড় স্টোরেজ অপশনও হবে।

 

ছোট অফিসের স্পেস বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন আপনার ব্যাবসায়ের ধরন অনুযায়ী পর্যাপ্ত সৃজনশীলতার প্রয়োগ এবং ক্লেভার স্পেস প্ল্যানিং।

Source: Oktra